পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল - ঝিনাইদহ নিউজঝিনাইদহ নিউজ
পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল

পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল

    পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখলপানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গা দখল

ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার সাতব্রিজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান সেচখাল স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীদের দখলে। খালের পাড় দখল করে ঘর নির্মাণ করে ব্যবসা-বাণিজ্য চলছে চরমে। এ ছাড়াও প্রধান সেচখাল জুড়ে গড়ে উঠেছে গ্রাম্য হাটবাজার। বদলে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সেচখালের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। অসহায় হয়ে পড়েছেন পাউবো কর্তৃপক্ষ।


হরিশপুর গ্রামের ব্যবসায়ী আদালত হোসেন হাসান অভিযোগ করে জানান, তিনি অনেক টাকা ব্যয়ে একটি বহুতল ভবন নির্মাণ করছেন। কিন্তু ভবনের সামনের রাস্তায় অবৈধভাবে দোকানঘর থাকায় যানবাহনসহ পথচারীদের চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটছে। দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকার সিরাজুল, ইসাহক, সাবু মেম্বর, জানরুদ্দীন, হাফিজুর রহমান, নিজাম মেম্বর, দিদারুল আলমসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী পাউবোর জায়গা দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করেছেন। ভবনের সামনের অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদ হওয়া জরুরি বলে তিনি মনে করেন। তিনি এসব অবৈধ দোকানঘর উচ্ছেদের জন্য পাউবোসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানান।


জানা গেছে, পাউবোর কর্তৃপক্ষের দু’একজন অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে সেচখালের জায়গা দখল করে স্থায়ী পাকা দোকানঘর তৈরি করে ভোগদখল করছেন। সাতব্রিজের স্থাপনা ভাঙ্গার জন্য শাখা কর্মকর্তা তৎপর থাকলেও পরে তিনি পেরে ওঠেননি।

শাখা কর্মকর্তা আশরাফুল সিদ্দিকী সেসময় লিয়াকত, মোজাম, আকুলসহ ৪ জনের নামে একটি নোটিশ করেন ঘর ভাঙ্গার জন্য। খালের পাড় দখল হওয়ায় রাস্তা ছোট হয়ে যাচ্ছে।

সূত্র জানায়, পাউবোর কিছু অসাধু কর্মকর্তার কারণে সাতব্রীজের অবৈধ স্থাপনা ভাঙ্গা যাচ্ছে না।


এ ব্যাপারে হরিণাকুন্ডু পানি উন্নয়ন বোর্ডের শাখা কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন জানান, এ উপজেলায় নতুন যোগদান করেছি। সাতব্রিজ বাজারের সদ্য নির্মিত পাকা স্থাপনা ও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য যা যা করা দরকার তাই করা হবে। এছাড়াও সাতব্রিজসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সেচখালের ভিতর নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে খুব শিগগিরই অভিযান চালানো হবে। কেউ আইন অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান এ শাখা কর্মকর্তা।


ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (সিবিএ) সভাপতি খুরশিদ শরীফ জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড অসহায়, অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। খালের পাড়ের অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদের জোর দাবি জানান তিনি।

ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *