Mon. Nov 18th, 2019

ঝিনাইদহ নিউজ

সবার আগে সর্বশেষ

সাংবাদিককে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে ভিডিও ডিলিট করলো শোভন

1 min read

ঝিনাইদহ নিউজ: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সংবাদিককে জোরপূর্বক নিজ গাড়িতে তোলার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের বিরুদ্ধে। দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকার ওই সাংবাদিকের নাম নুর হোসেন ইমন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য তিনি।

সূত্রের তথ্য, মঙ্গলবার দুপুরে মধুর ক্যান্টিনে ছাত্রলীগ সভাপতির দুই অনুসারীর মধ্যকার এক মারামারিতে একজনের কপাল ফেটে যায়। সংঘর্ষের ওই ঘটনাটি ওই সাংবাদিক নিজ মোবাইলে ধারণ করলে তাতে নজর পড়ে আরেক সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়ের। এ সময় তিনি ইমনের (সাংবাদিক) হাতে থাকা মোবাইলটি কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করে। ইমন মোবাইল না দিতে চাইলে জয় ও ছাত্রলীগের অন্যান্য কর্মীরা তাকে সভাপতি শোভনের কাছে নিয়ে যান। এ সময় শোভন ইমনকে নিজের গাড়িতে তোলেন। পরে তার কাছে থাকা ভিডিওটি ডিলিট করে ছেড়ে দেন।

ঘটনার সত্যতা জানান ভুক্তভোগাী সাংবাদিক নুর হোসেন ইমন। বলেন, মূলত ভিডিও’র কারণেই জয়সহ কিছু ছাত্রলীগ নেতা এ কাণ্ড ঘটিয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি আবির রায়হান দ্যা ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে শোভনের সঙ্গে কথা বলে ঘটনাটির প্রতিবাদ জানিয়েছি। এ ধরণেরে আচরণ প্রত্যাশিত নয়।’ তিনি বলেন, ‘আমরা ছাত্রলীগকে ক্ষমা চাইতে বলেছি। যদি তারা আনুষ্ঠানকিভাবে ক্ষমা না চান, তবে সমিতির সভা ডেকে পরবর্তী করণীয় ঠিক করব।’

এ বিষয়ে জানতে আল নাহিয়ান খান জয়ের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অন্যদিকে রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি।

এর আগে আদর্শগত দ্বন্দ্বের জন্য কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারমারিতে জড়িয়ে পড়েন দুই ছাত্রলীগ নেতা। তারা হলেন হলেন তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির ও শাহরিয়ার কবির বিদ্যুৎ। এরা দুইজনই ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি ও ছাত্রলীগ সভাপতি শোভনের অনুসারী। আহত বিদ্যুৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।

সূত্রের তথ্য, দ্বন্দ্বের এক পর্যায়ে জহির ইট দিয়ে আঘাত করে বিদ্যুৎ এর চোখের বাম চোখের ওপরে কপাল ফাটিয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ।

তিনি বলেন, ‘সপ্তাহ খানেক সময় ধরে ওদের সিন্ডিকেটের সাথে আমাদের মতানৈক্য ও বিরোধ চলে আসছিল। আজ মধুর ক্যান্টিনে এসব বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে জহির আমার শার্টের কলার চেপে ধরে। তখন আমিও ওর জামার কলার চেপে ধরি। এক পর্যায়ে জহির ইট দিয়ে আঘাত করে আমার কপাল ফাটিয়ে দেয়। এসময় জহিরের এক ছোট ভাইয়ের হাতে বাঁশ ছিল বলে অভিযোগ করেন বিদ্যুৎ।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *